---------------------------
প্রথম দৃশ্যতে মেয়েটির শরীর বিছানায় উন্মুক্ত
মুহুর্তে লোকটি ...... তুড়ি মিস্টার রাজেশ চোহান
শকুনের মত ঝাপিয়ে পড়ে যৌবন চুষে নিচ্ছিলো,,
মেয়েটার শরীর নিয়ে চলছিল রাতভর মাংসে খেলা
অনেক মেয়ে মিস্টার চোহানের বিছানায় আসে ,
এ মেয়ে যেন আগুন পাখি উফ এমন সুখ আগে কেউ দিতে
পারেনি একটা পুরুষ প্রায় পঞ্চাশ এর ঘর পেরোনো তার
শরীরকে এমন করে সারারাত উত্তাল কাম ঝড়ে মাতিয়ে রাখা
এ মেয়ের শরীর এ হাজার সদ্য ফোটা পদ্ম আর সেই পদ্ম
নিয়ে যেমন ইচ্ছা খেলা....।
বেলা এগারোটা চোখ খুলেই রাতভরের খেলা
ফ্লাসব্যাক হয়ে যায় রাজেশে র চোখের সামনে,
বিছানা ছেড়ে ডাইনিংএ গিয়ে দেখে তিতির চৌধুরী
একঢাল কোঁকড়াচুলো পিঠের ওপর এলিয়ে কিছু
একটা পড়ছে, সামনে গিয়ে রাজেশ চোহান দাড়াতেই
তিতির বলল ফ্রেস মরনিং স্যার, আজ আমার ইন্টারভিউটা
শেষ করবেন তো? প্লিস আজ শেষ করলে আমার একটু সুবিধে
হয়, সামান্য হেসে রাজেশ স্নানের জন্য চলে গেল।
মুখোমুখি একের পর এক প্রশ্ন, তিতির বাঘিনীর মত
উত্তর দেয় তার নিজেকে প্রস্টিটিউট বলতে কোথাও
লজ্জার লেশ মাত্র মনে আসে না, বরং সে পুরুষদের
নিজের শরীরে বাঁকে খেলাতে এক উন্মত্ত আনন্দ পায়
যখন কোন পুরুষ তাকে বিছানায় নিয়ে যায় সেই পুরুষের
লাগাম তিতির চৌধুরীর হাতে চলে আসে,
রাজেশ প্রশ্ন করলো আপনার তো কোনো অভাব নেই
তবে এই পেশা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন না কেন?
নাকি আরো আরো টাকার লোভ আপনার মন থেকে শরীরকে
আড়াল করে দিয়েছে,? তিতির বলল আসলে এসব পেশায়
যারা আসে তাদের প্রত্যেকের একটা গল্প থাকে..... তিতিরের কথায়
বাঁধা দিয়ে রাজেশ বিরক্তির সাথে বলে উঠলো প্লিস আমায় আর
ওই একঘেয়ে গল্প শোনাবেন না, আপনাদের ওই একি গল্প টাকার এপিঠ আর ওপিঠ
সব গল্প এক আই ডোন্ট ওয়ান্ট টু নো দ্যাট ডার্টি বোগাস স্টোরি ।
তিতির চৌধুরী বলল... এটা বোরিং বোগাস গল্প আপনার লাগবে না আমি শর্ত রেখে বলতে পারি স্যার।।
রাজেশ চোহান নিজেকে খোলা আকাশের পাখির মত রেখেছে সব সময়,
সে নিজে বন্দি হবে না বলেই সংসার পাতেনি, কোনো সহবাসে প্রেম আর প্রেমিকার
জন্ম হয়নি, কারনটা দায়িত্ব আর বন্ধন থেকে নিজেকে দুরে রাখা, তাই রাতের পর
রাত বিছানায় নতুন নতুন সুন্দরী নারী শরীরের ঢেউ সে উপভোগ করেছে একবার দুবার
তারপর আবার নতুন শরীর, রাত গ্যায়ি বাত ভি গ্যায়ি, এভাবেই আজ পঞ্চাশ সে
পার করে ফেলেছে। কাজ পাগল লোক নারী অধিকার নারী সম্মান নিয়ে ডকোমেন্ট্রি , ইন্টারভিউ, ফ্রন্ট পেজ থেকে পেজ থ্রি নিউজ পেপার, গসিপ ম্যাগাজিনে পাতায় পাতায় রাজেশ চোহান এর লেখা মশলাদার খবরে চাহিদা
আজ দু দশক ধরে রাজত্ব করছে, লোকজন এই লোকটাকে মাঝেমধ্যেই ফেমিনিস্টও বলে থাকে আর তাতে রাজেশচোহান এর বেশ গর্বই হয়। লোকটা মনে করে সে নিজের আয়নায় একজন পরিস্কার
মানুষ, কাউকে ঠকায়নি কোনো রকম লেন্ দেন এ সে কারো ক্ষতি করেনি এবং এই অভিযোগে জড়াতে চায়নি
বলে সে বিয়ে সংসার করেনি৷ তার মনে হয় বিয়ে একটা এমন বন্ধন যেখানে অনেক অভিযোগ, কম পাওয়া
,নালিশ, অধিকার নিয়ে খসড়া থাকে একে অপরের ওপর দোষ... আর দুটো মানুষ কেবল একটা সামাজিক দায়
বয়ে বেড়ানোর তাগিদে একঘেয়ে সম্পর্কের বোঝা বয়ে চলে, তাই সে সব ঝামেলাই সে রাখেনি, বিছানার সংগিদের সে মু মাংগ কিমত দিতে পিছপা হয় না, নিজের আজাদ দুনিয়া পরিস্কার আকাশ কোথাও কৈফিয়ত দেবার প্রয়োজন তার কোনোকালেই নেই,
তিতিরচৌধুরী উঁচু মহলের প্রস্টিটিউট নামি দামি লোকজন তাকে একরাত বিছানায় পাওয়ার জন্য বহুদিন আগে থেকে লাইনে থাকে...,, রাজেশ চোহান এর অনেক দিনের ইচ্ছা এই তিতির চৌধুরীর একটা ইন্টারভিউ আর একটা রাত বিছানায়, দুয়ে দুয়ে চার হয়ে যায় যেদিন নিউজ ডিপার্টমেন্ট "অজানা পথের খোঁজে " নিউজ সিরিজ নিয়ে রাজেশ চোহান এর ওপর দায়িত্ব দেয়, এক মাস আগে আপ্যেয়েন্টমেন্ট নেয়, আর তারপর তো রাজেশ চোহান তার সেক্স জীবনে মন আনন্দ আর বিস্ময় আগে কখনো পেয়েছে বলে মনে করতে পারেনা,
তো তিতির চৌধুরী আপনি চাইলেই এই নোংরা দুনিয়া থেকে একটা সুন্দর পৃথিবীতে
ফিরতেই পারেন যখন তখন থেকে যাওয়ার কি কোনো গোপন কারন আছে?
তিতিরচৌধুরী - স্যার একটা প্রশ্ন আমি করতে পারি আপনাকে? রাজেশচোহান বললেন নিশ্চয়ই বলুন কি প্রশ্ন
তিতিরচৌধুরী.... আপনি ব্যাচেলর কেন স্যার আপনার কি.... অহ নো নো মিস তিতির আমি বন্ধন মুক্ত থাকতেই ভালোবাসি আসলে আমি কখনো চাই না আমাকে কেউ আমার ইচ্ছেতে বাঁধা দিক আর বিয়ে সংসার একটা কম্প্রোমাইজ এর নাম I'm not interested that's kind of things, আমি আমার রাজত্বের একা অধিপত্যেই খুশি,,
তিতির চৌধুরী বলল এবার আমার গল্পটা শুরু করা যাক স্যার .......
প্লিস প্লিস কোনো গল্প না....., তিতির চৌধুরী রাজেশ চোহান এর কথায় কান না দিয়ে বলতে শুরু করলো
গল্পটা একেবারেই একঘেয়ে নয় আপনার ভাল লাগবে স্যার, তারপর শুরু করল...
একটা মেয়ে ছিল বেশ সুন্দরী বলা যায় গরীব বাড়ির পেট চালানোর জন্য মায়ের সাথে লোকের বাড়িতে কাজ করতো, প্রায় সাত আটটা বাড়ি ঘুরে ঘুরে মা আর মেয়ে সারা দিন কাজ করে বেড়াতো মেয়েটার বাবা নিরুদ্দেশ ছিল, তবে মা আর মেয়ের দু বেলা দুমুঠো জুটেই যেত পরের বাড়ি খেটে, এর মধ্যে এক কাজের বাড়ির মালিকের মেয়েটিকে ভালো লাগে সে কথা মেয়েটির মা কে জানায়, বলে তার মেয়ে কে সে বিয়ে করতে চায়, তবে এখনি নয় বছর খানেক সময় লাগবে, গরীব মানুষ বড়লোকদের মুখের ওপর খুব একটা কিছু বলতে পারে না , তাছাড়া গরীবের মেয়ে খেয়ে পরে সুখে কারো ঘরনী হতে পারে এটা স্বপ্ন, আর সে স্বপ্ন যখন নিজে হাতে ধরা দেয় কে বা না চায় তাতে ভাসতে, মা আর মেয়ের তাই আপত্তি জানাতে চায়নি,
রোজ রোজ ভাল লাগার পুরুষ সামনে আসলে দু এক কথা বিনিময় হবেই এভাবেই দিন পেরোয় কথা থেকে
ভালোলাগা খোঁজে স্পর্শ আর সেই স্পর্শ বাড়ায় লোভ আরো আরো ,
নিয়মিত একটা নিরিবিলি সময়ে ছেলে মেয়ে দুটি মিশে যায় অনাবিল আনন্দস্রোতে।
এই ভালোলাগার স্রোত অভ্যাস হয়ে যায়, আপত্তি কোথাও ছিল না কয়েক মাস পর
মেয়েটি ছেলেটিকে জানায় তার পেটে ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে , সমাজ এবার সৃকৃতি চাইবে,
ছেলেটি চুপ থাকলো কিছুক্ষণ, তারপর বলল আজ বাড়ি যাও আমি ভাবছি এর মধ্যে কিছু একটা,
পরের দিন মা কাজে এলে ছেলেটা তার হিরের আংটি চুরি গেছে বলে জানায় এবং সাফ জানিয়ে দেয়
মা কে.... তোমার মেয়ে এই কাজ করেছে, গরীব ভিখারির জাত বড়লোক বাড়িতে ঢুকে কাজ করার নামে চুরি করে, এখনি তার মেয়েকে পুলিশের কাছে নিয়ে জেতে চায়,, গরীব মা ভয়ে কান্না কাটি করে বলে বাবু আমরা গরীব কিন্তু চোর নই আপনি আমাদের বাড়ি গিয়ে খুঁজে দেখে নিন, ছেলেটি বলে সে জিনিস তোমরা যে বাড়তে রাখবে না সে জানা আছে, তবে পুলিশের লাটি পড়লে সব বেরিয়ে আসবে, ওই মেয়ের মুখ দিয়ে পুলিশ ঠিক সব উগরে নেবে...., পা ধরে গরীব মা কাকুতি মিনতি করতে লাগলো বাবু পুলিশ ডাকবেন না আপনি নিজে ইচ্ছে মত শাস্তি দিন দয়া করে পুলিশ ডাকবেন না, আমি দরকার পড়ে মেয়েকে নিয়ে দুরে কোথাও চলে যাব আজ এখনই,
ছেলেটা কিছুক্ষণ চুপ্ থেকে বলল ঠিক আছে আমি পুলিশ ডাকবো না তবে তোমাদের আর যেন এই তল্লাটে না দেখি,
মা আর মেয়ে তারপর হারিয়ে গেছিল তাদের আর ওই শহরে কেউ দেখেনি, ছেলেটা নিজের দুনিয়ায় ব্যাস্ত হয়ে গেছিল ভুলে গেছিল সামান্য ঘটনার মত,
তিতির চৌধুরীর এখন বয়স বাইশ মা মারা গেছে বছর পাঁচেক হল দিদার সাথেই মুম্বাইয়ে লোনাওয়ালায় নিজের বাংলোয় থাকে তার দিদা তার প্রিয় বন্ধু ফিলোসাফার, তবে তিতির কে নিয়ে তার দিদার চিন্তা সেযে
আর পাঁচটা মেয়ের মত স্বাভাবিক নয়, ওর ভেতোর আগুন জ্বলে সারাক্ষণ
সে আগুনে তিতির পোড়ে কম পোড়ায় বেশি, আর তার জীবনের লক্ষ্য
বড় ভয়ংকর একটা প্রতিশোধ আর তার মা কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিতিরকে
ঘুমাতে দেয় না, শত্রুকে তার নিজের জমিতে কবর দিতে পারলে তবেই তিতিরের শান্তি।
রাজেশ চোহান কপালের ঘাম মুছছিল হঠাৎ ঈশানী মেঘে আর পরিস্কার
আকাশ অন্ধকার করেদিল, নিজের কাছে নিজেকে এত ছোট হতে হবে কেউ ভাবতে পারে না,
মুহুর্তে মৃত্যু আসলে বোধহয় রাজেশ চোহান সব থেকে খুশি হত, তেইশ বছর আগে যে বীজ পোঁতা
হয়ে গেছিল খেলার ছলে আজ সে মহিরুহের ঝুরিতে নাগপাশ বন্দি.... লজ্জায় ঘেন্নায় নিজেকে ক্ষমা করবে কি করে মিস্টার ক্লিন রাজেশ চোহান।
তিতির চৌধুরী তার সিলিং ব্যাগটা হাতে নিয়ে সানগ্লাস টা চোখে রেখে বলল good bye মিস্টার চোহান
Nice to meet u sir।