তুমি দীর্ঘ পথ চলার থেকে নিস্তার পেতে চেয়েছো ,
তোমার চিঠিতে সে কথা স্পষ্টতই বারংবার জোর দিয়ে আকুতি দিয়ে জানিয়েছ ,,
আমিও বুকের আগল খুলে অনিকেত অনন্তে ডাকে তাই সাড়া দিলাম ,,
...আজ থেকে তবে দ্বাদশীর চাঁদে গ্রহন লাগুক ।আমরা দুজন একে অপরের উল্টোদিকে হাঁটা জন্য প্রস্তুত তাই তো প্রিয়তোষ ?
সমস্ত সমীকরণ গর্ভের আঁতুরঘর কে আজ জতুগৃহ মনে হয় তোমার , একদিন তুমিই বলেছিলে প্রিয় মানুষ চলে গেলে আয়নার রং বিবর্ন হয়ে যায়....
।
তারপর .....তারপর সে আয়নায় আর কোনো দিন ফেরা হয় না দ্বিতীয় দফায় ...., সে কথা তুমি জানো প্রিয়তোষ ভালো করে , আসলে তোমার এযাবৎ পথ চলায় এমন ইনেক পাথেয় তো আগেও ছিল..... ফেরা হয় না আর,,
আমাদের একসাথে অনেক আকাশ তীব্র পারিজাতীয় কম্পন এসব কিছুর গিঁট খুলে আমরা দুজন দুজনের থেকে আলোকবর্ষ নিস্তার খুঁজে নিই এসো ,,
একদিন যে গন্ধর্ব রঙের অধিকারে তোমার বা আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় নিজস্বতা খুঁজে পেত আজ অনপেক্ষের নকশায় সে সব লুপ্ত প্রায় ,
প্রিয়তোষ চিতায় জ্বলে গেলে দেহ পুড়ে যায় অথচ আমাদের মন না জানা অজস্র কারণে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ... কখন যে !
আমাদের কথোপকথন এর সমস্ত বর্ণমালার অন্ধকার আর কালসিটে ঘর বেঁধেছে আমারা কেউই বুঝে উঠতে পারলাম না ,
বছর কিছু হবে একদিন তোমার হাতের রেখায় আমি ভাগ্য নির্ধারণ করে ছিলাম , দেখো কি আশ্চর্য ভাবে সে গণনার সবটাই আজ নির্ভুল ,
জানি তুমি আগের মত আমার এই দক্ষতার সামান্যও প্রশংসা করবে না ,
এই মুহূর্ত থেকে আমাদের ভেতর ঘটে যাওয়া প্রবাহ গুলো শুধুমাত্র দূরত্বের বয়ান লিখে রাখছে । , লিখে রাখছে উপন্যাসের শেষ পাতায় শরৎ বাবুর ক্ষত কলমের রক্তআঁচড় ,
ভালো থেকো আগামীর মুহূর্ত গুলো প্রিয়তোষ ,,
শেষ শুভেচ্ছা বার্তায় জানাই.... ফেলে আসা সময়ের মত কোন ভুল আগামীর কোথাও যেন তোমার অক্ষরেখা ছুঁতে না পারে ,
আর আমার নিঃশ্বাসে আমি বিশ্বাস নিয়ে তোমার উল্টো দিকে ফিরছি .......বাকিটা তোমার একান্ত ইচ্ছা ,
ইতি স্বজন হীন বাসন্তিকা ,,