তোর বলা কবিতার কাছে দাঁড়াই,
যেদিন তোকে একচুমুক দেখার খিদেতে আমার ভেতরে ভিক্ষার্থীটা হাহাকারে করতে করতে রক্ত কান্না চোখ বেয়ে বুক ছুয়ে ফেলে সেদিন তোর মুখোমুখি না হওয়ার নিজের কাছে রাখা প্রতিজ্ঞাবাক্য ছিড়েখুঁড়ে দেয়ার ক্ষমতায় পারিজাতের ছবিগুলোর মুখোমুখি তুই আমি,
তখন তুই বা আমি ভীষণ রকম আগের মত মুখোমুখি একই সরলরেখায়, দুজনেই ভীষণ বেঁধে বেঁধে।
তোর উচ্চারণএ এখনো সেই 'স' এর দোষটা রয়েই গেছে,
আচ্ছা তোর সেই বন্ধু যে তার বউ কে আগুন থেকে বাঁচতে গিয়ে নিজেও বউ এর সাথে মারা গেলো, তার ছেলেটা এখন কেমন আছে রে?
গুট্টুস কি এখনো গীটারের তারে বিলাবল খুঁজে ফেরে?
আমিও অনেক কিছু ছেড়ে দিয়েছি গিটার , ছবি আঁকা ,
অফিস, জীবনটা সামান্যতে রেখেছি,
পাহাড়ের পাশে এক টুকরো চার দেওয়ালে দিন কেটে যায়
মনের দেওয়ালে নতুন সাদা রঙ লেপে দিয়েছি... জানিস তারপরে পুরোনো ছবিগুলো কেমন যেন মিটিমিটি চোখে পাহারা দেয়।
রতনদার কি প্রেমিকা বদলেছে আবার... আর আর তোর প্রেম কি পঞ্চাশের ঘর অতিক্রম করেছে!
একটা কথা না বলে পারছি না আজকাল তোর লেখা কবিতায় শুধুমাত্র অন্ধকার ছাড়া কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না।
অথচ তুই যাবার দিন বললি তুই নাকি আলোর ঠিকানা পেয়েছিস তাই পাহাড় নদী কেটে সে আলোর উদ্দেশ্যে রাস্তা বানিয়ে ফেলতে চাস,
নাহ তোর একটা কবিতায় কোথাও সূর্য ওটা সকাল নেই... নেই বেঁচে থাকা,,
হয়তো নিজের মৃত্যু লিখিস নিজের কবিতার কাফনে,
হয়তো বিশ্বাস হত্যা করতে করতে নিজেই নিজের হত্যাকারী আসামি।